মোঃ জাবেদ আহমেদ জীবন নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
বোনের বাড়ি থেকে
ভাগিনাকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ গেলো তনয় কুমার মজুমদারের,
সোমবার (৮ জুন) দিগন্ত পরিবহন বাসে করে হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর আসার পথিমধ্যে দুপুর সাড়ে বারটায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরের বৈশামুড়া এলাকায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এসময় বাসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ৪ জন ঘটনাস্থলে নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে তনয় কুমার মজুমদার (২০) গুরুতর আহত হয়েছে তার ভাগিনা সিজন ।
তনয় কুমার মজুমদার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের পাল বাজারের সেতু মজুমদারের ছেলে এবং লাউর ফতেহপুর ব্যারিস্টার জাকির আহমেদ কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাড়ী ইব্রাহিমপুর গ্রামে গিয়ে কথা বলে জানাযায়, তনয় কুমার মজুমদার প্রবাসে যাওয়ার জন্য পাসপোর্টের ফিঙ্গার দিতে রবিবার (৭ জুন) ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলো। কাজ শেষ করে তার ভাগিনা
সিজন চন্দ্র দাসকে (১৩) আনতে ওইদিনই হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরের বাকশাই চলে যায়। সোমাবার ভাগিনাকে নিয়ে বাড়িতে আসার পথিমধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় তনয়। মৃত্যুর এ খবর বাড়িতে এলে শুরু হয় শোকের মাতম। নিহতদের লাশ বিকেলে বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এক নজর দেখতে শতশত মানুষ বাড়িতে ভীড় করে।
অন্য নিহতরা হলেন,সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের মুন্সি আরশ আলী ও শিশু আলিফ,সদর উপজেলার পাইকপাড়ার মৌসুমী দাস। গুরুতর আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছে।
আহত সিজন জানান, বাসটি হঠাৎ করে উল্টে খাদে পড়ে যায়, গাড়ির ভিতর থেকে প্রাণে বেঁচে আমি কিভাবে বের হয়েছি কিছু বলতে পারবো না। এদিকে সন্তান হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে সেতু মজুমদার।
তার মরদেহ ইব্রাহিমপুর মধ্যপাড়া মহা শ্মশানে দাহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।