• শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
দিনাজপুরের বিরামপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন আটক, দুই মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড পূবাইলে ইনডেক্স এন্ড বেভারেজ ফ্যাক্টরি সিলগালা। কিশোরগঞ্জ শহরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান কিশোরগঞ্জ শহরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান কিশোরগঞ্জে যুবদলের আনন্দ মিছিল, নেতাকর্মীদের উৎসবমুখর অংশগ্রহণ মোঃ মনজুরুল এর বাসার জানালা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দরজা খুলে ঘুমন্ত অবস্থায় গতকাল ভোর (৫) ঘটিকায় আত্মশুদ্ধি, নফসের সংযম ও ইসলামী সাধনার প্রকৃত রূপরেখা যৌবনে স্রষ্টাকে চেনার সবচেয়ে উর্বর সময় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে বকশীগঞ্জে প্রশাসনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নরসিংদীতে ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তাদের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আত্মশুদ্ধি, নফসের সংযম ও ইসলামী সাধনার প্রকৃত রূপরেখা

তালাত মাহামুদ | জেলা প্রতিনিধি, নরসিংদী / ১৪ Time View
Update : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

আত্মশুদ্ধি, নফসের সংযম ও ইসলামী সাধনার প্রকৃত রূপরেখা,
মানবজীবনের অন্যতম লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করা। ইসলামে আত্মশুদ্ধিকে বলা হয় “তাযকিয়াতুন নফস”। কুরআন মাজিদে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, “নিশ্চয়ই সে সফল হয়েছে যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে।” এই আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মানুষ কামনা-বাসনা, হিংসা, অহংকার ও লোভ থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভের পথে অগ্রসর হয়।
আত্মশুদ্ধি বলতে শুধু বাহ্যিক পরিচ্ছন্নতা নয়, বরং অন্তরের পরিশুদ্ধতাকেও বোঝায়। একজন মুমিনের হৃদয়ে আল্লাহভীতি, সততা, বিনয়, ধৈর্য এবং মানবপ্রেমের গুণাবলি বিকশিত হওয়াই প্রকৃত আত্মশুদ্ধির লক্ষণ।

ইসলামে আত্মশুদ্ধির প্রধান উপায়সমূহ হলো—
– নিয়মিত নামাজ আদায়
– কুরআন তিলাওয়াত ও তার শিক্ষা অনুসরণ
– জিকির ও দোয়া
– রোজা পালন
– হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা
– মানুষের অধিকার রক্ষা করা
কামনা নিয়ন্ত্রণ ও নফসের জিহাদ
যৌবন মানুষের জীবনের শক্তিশালী সময়। এই সময় কামনা-বাসনা প্রবল থাকে। ইসলাম কামনাকে দমন নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ ও বৈধ পথে পরিচালনার শিক্ষা দেয়। বিবাহকে এ কারণেই একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) যুবকদের উদ্দেশে বিবাহের সামর্থ্য থাকলে বিবাহ করার এবং সামর্থ্য না থাকলে রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ রোজা মানুষের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।
নারী-পুরুষ সম্পর্ক সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি
ইসলাম নারীকে সম্মান ও মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। তবে শরিয়ত বহির্ভূত শারীরিক স্পর্শ বা অবাধ মেলামেশাকে আধ্যাত্মিক সাধনার উপায় হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। ইসলামে নারী-পুরুষের সম্পর্কের বৈধ ও পবিত্র মাধ্যম হলো বিবাহ।
প্রকৃত প্রেম হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ববোধ এবং পবিত্র সম্পর্ক বজায় রাখা।
বীর্য ও শরিয়তের বিধান
ফিকহশাস্ত্রে বীর্যকে কেন্দ্র করে পবিত্রতা ও গোসলের বিধান রয়েছে। তবে ইসলামের মূল শিক্ষায় বীর্য সংরক্ষণকে আধ্যাত্মিক শক্তি অর্জনের বাধ্যতামূলক উপায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। ইসলামে মানুষের মর্যাদা নির্ধারিত হয় তার তাকওয়া, আমল ও চরিত্রের মাধ্যমে।
প্রকৃত ইসলামী সাধনা হলো আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন, নফসের নিয়ন্ত্রণ এবং আল্লাহর আনুগত্যে জীবন পরিচালনা করা। মানুষের অন্তরে প্রেম, দয়া, সত্যবাদিতা ও মানবকল্যাণের চেতনা জাগ্রত করাই ইসলামের শিক্ষা। তাই আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করাই সর্বোত্তম পথ।
যে ব্যক্তি নিজের নফসকে পরিশুদ্ধ করে, সে-ই প্রকৃত সফলতার অধিকারী।”

“ধন্যবাদান্তে”

হাজী শাহ্ মোঃ পাগল মনির হোসেন, দক্ষিণ খাঁন, উত্তরা, ঢাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা